ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যিনি হবেন, তাকেই হত্যা করা হবে: ইসরায়েল
ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উত্তরসূরিকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই হুমকি দেন বলে টাইমস অব ইসরায়েলের বুধবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আলী খামেনির ছেলে মোজতবার নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার খবরের মধ্যেই এমন হুঁশিয়ারি এল ইসরায়েলের পক্ষে। দু দেশই একে অপরেরর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।
ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে ইরানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নিযুক্ত যেকোনো নেতাকে নির্মূলের জন্য স্পষ্ট লক্ষ্যবস্তু”হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
এক বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক ইসরায়েলকে ধ্বংস করার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মুক্ত বিশ্ব এবং অঞ্চলের দেশগুলোকে হুমকি দেওয়ার ও ইরানি জনগণের ওপর নিপীড়নের পরিকল্পনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য নিযুক্ত যেকোনো নেতাকে নির্মূলের জন্য স্পষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে।
ইসরায়েল কাটজ বলেন, তার নাম কী বা সে কোথায় লুকিয়ে আছে তা বিবেচ্য নয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের আমেরিকান অংশীদারদের সাথে মিলে এই শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা ভেঙে ফেলার জন্য এবং ইরানি জনগণের জন্য পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি পরিবারের সদস্যদেরসহ নিহত হয়েছেন। প্রতিবাদে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনি হত্যার প্রতিবাদে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এ ছাড়া ইরানে হামলার প্রতিবাদে ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, আর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে হামলা করছে ইসরায়েল।
একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্যমতে, ইরানে হামলায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে প্রায় ১১০০ বেসামরিক নাগরিক। আর লেবানে নিহতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে।




