দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে তীব্র ঝড়ের আভাস
সাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল আগামী ২-৩ ঘণ্টায় কিছুটা দুর্বল হলেও সারা দেশেই বাড়বে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। একইসঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। সেজন্য দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য ৪ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বহাল রেখেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার (২৭ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পাটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর এবং কুষ্টিয়া অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ও বেশি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া নদীবন্দরের জন্য রয়েছে চার সতর্কসংকেত, সেগুলোর প্রতিটির আলাদা অর্থ রয়েছে। যেমন—
১ নম্বর নৌ সতর্কসংকেত
বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিমি. গতিবেগের কালবৈশাখী ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।
২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত
বন্দর এলাকা নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড় যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিমি. বা একটি কালবৈশাখী ঝড়, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিমি. বা তদুর্ধ্ব। নৌ-যান এদের যে কোনটির কবলে নিপতিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট নৌ-যানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
৩ নম্বর নৌ-বিপদ সংকেত
বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিমি. পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় সহসাই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব প্রকার নৌ-যানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।
৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত
বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং সহসাই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিমি. বা তদুর্ধ্ব। সব প্রকার নৌ-যানকে নিরাপদ আশ্রয় থাকতে হবে।





