সংঘর্ষের জন্য বিএনপি তাদের ক্যাডারদের ব্যবহার করছে
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশজুড়ে অগ্নিসংযোগ ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনের জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাদের ক্যাডারদের ব্যবহার করছে।
এবার ক্যামেরার সামনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের এমন সব ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করলেন তিনি। নিজ ভেরিফাইড এক্স (সাবেক টুইটার) প্লাটফর্ম থেকে এক ভিডিও পোস্টে তিনি কথাগুলো জানান।
পোস্টের ভিডিওতে দেখা যায়, নভেম্বরের ৮ তারিখে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনকে বক্তব্য দিতে। যেখানে অবরোধ সফল করার জন্য জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায়, ঐ দিন সুনামগঞ্জে অবরোধ না মেনে বাস ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাস ভাংচুর করে এবং সিএনজিও ভাংচুর করে। এদিন মোট ২টি বাস, ২টি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি পিক-আপ ভ্যান ভাংচুর করে তারা। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাবার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
এ ছাড়াও পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জানান, এদিন সন্ধ্যার পর কাজী সালাউদ্দিন কাদের আসাদ নামে চট্টগ্রাম সিটি ইউনিট ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে কিছু দুষ্কৃতকারী হঠাৎ মিছিল বের করে অবরোধের সমর্থনে। এ সময় তাদের হাতে ছিলো জ্বলন্ত মশাল। এর কিছু সময় আগেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের হাতে আগুন দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ।
গণমাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ব্যবহার করে তৈরি এই ভিডিওতে বলা হয়, বিএনপির পক্ষ থেকে মানুষের অংশগ্রহণে অবরোধের দাবি উত্থাপন করা হলেও এই হামলা, অগ্নিসংযোগ বা মিছিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাহিরে সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। সেই সঙ্গে বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর হাতেই ছিলো বড় লাঠি, বাঁশ এমনকি বড় ইট ও পাথর, যা হাতে নিয়ে তারা সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বন্ধের জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করছিলো এবং মানুষজনকে বলছিলো ‘যা এখান থেকে’।
শুধু যানবাহন নয়, ভিডিওতে দেখা যায়, বিএনপি নেতাকর্মীরা আশপাশের দোকান ভেঙে লাঠি নিয়ে আসছে বা দোকানে বসার টুল তুলে নিয়ে আসছে ভাংচুর ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনের জন্য। এ সবই তারা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে। এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন সজীব ওয়াজেদ তার পোস্টের মাধ্যমে।





