আজাদ কাশ্মীরের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইফতিখার গিলানি
পাকিস্তান-শাসিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)- এর ব্যারিস্টার ইফতিখার গিলানি। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) তিনি শপথগ্রহণ করেন।
আইনসভায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন গিলানি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী সরদার মুখতার খান পেয়েছেন ১৪ ভোট। ২০১১ সালে প্রথমবার আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (এজেকে) আইনসভায় নির্বাচিত হন গিলানি। এর আগে তিনি এজেকে সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
মুজাফফরাবাদে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য আজাদ কাশ্মীর আইনসভার অধিবেশন বসে। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার চৌধুরী তারিক ফারুক। ভোটগ্রহণের সময় দুই প্রার্থীই আইনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
ভোট শুরুর আগে ইফতিখার গিলানি ও সরদার মুখতার খান একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করেন। এতে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোটের কার্যক্রম শুরু হয়।
পিএমএল-এন’র আজাদ কাশ্মীর শাখার সভাপতি শাহ গুলাম কাদির অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন না। তবে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজা ফারুক হায়দার অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গিলানি জানান, তার সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এমন একটি আজাদ কাশ্মীর গড়ে তুলতে কাজ করবে, যা বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠবে।
তার ভাষ্য, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যাব।’
গিলানি বলেন, আজাদ কাশ্মীরে বর্তমানে সুশাসনের নানা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে হাসপাতালগুলোর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন গিলানি। তার দাবি, আজাদ কাশ্মীরের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো অন্যদের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ তৈরি করবে।
তিনি বলেন, ‘এই সরকার হবে জনগণের সরকার।’ একই সঙ্গে কাশ্মীরের জনগণের জন্য নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার সরকারের সময়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মচারীরা পরিবর্তনের সুফল ভোগ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন গিলানি।




