ইরান যুদ্ধ: সঠিক গোয়েন্দা তথ্য উপেক্ষার অভিযোগে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
মার্কিন আইনপ্রণেতা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গড়া দ্বিদলীয় একটি কমিশন ২০০৫ সালে তাদের প্রতিবেদনের উপসংহারে লেখে, “ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার গোয়েন্দা তথ্যটি ছিল সম্পূর্ণ ভুল।”
মার্কিন গোয়েন্দারা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে বলেছিলেন, সাদ্দাম হোসেন নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি শুরু করেছেন এবং ইরাকের কাছে প্রাণঘাতী রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ রয়েছে।
এসব গোয়েন্দা তথ্যই ছিল ইরাক যুদ্ধ ও দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের আট বছরের দখলদারিত্বের মূল ভিত্তি।
কিন্তু দ্বিদলীয় কমিশনের পর্যবেক্ষণ ছিল, “যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর একটি তথ্যও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি ছিল বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা।”
যদি একই ধরনের একটি কমিশন বর্তমান ইরান যুদ্ধ নিয়ে পর্যালোচনা করত, তাদের মূল্যায়নে সম্ভবত বলা হতো¬–তেহরানের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সম্পূর্ণ সঠিক ছিল; কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তা গ্রাহ্য করেননি।
ইরানে যুদ্ধ বাধানোর বৈধতা অর্জনে ট্রাম্প বলছেন, তেহরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে, যেটা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম।
কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দারা বলেছেন, ইরানের শাসক গোষ্ঠী পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল না; তাদের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র ছিল না, যেটা দিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাতে পারে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরান যে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে, সেই আভাসও ট্রাম্পকে দিয়েছিলেন মার্কিন গোয়েন্দারা। উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলার শঙ্কাও প্রেসিডেন্টের কানে দিয়েছিলেন তারা।
আর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কী কী সংকট দেখা দিতে পারে, সে পূর্বাভাসও ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের প্রতিবেদনে।
দ্য আটলান্টিকের বিশ্লেষণী একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথ্যগত জায়গা থেকে এবার মার্কিন গোয়েন্দারা সাফল্য দেখিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্পের এই যুদ্ধ একের পর এক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনছে।
ইরান এখন হরমুজ প্রণালি তাদের মতো করে চালাচ্ছে। এমনকি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে টোল আদায়ের কথাও বলছে যুদ্ধের শিকার হওয়া দেশটি। ফলে ইরানের শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাতের কথা ট্রাম্প বললেও বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন।
এখন থেকে দুই দশক আগে একজন প্রেসিডেন্ট ভুল তথ্যকে গ্রহণ করেছিলেন, যা বিপর্যয় ডেকে এনেছিল।
আর এখন একজন প্রেসিডেন্ট সঠিক গোয়েন্দা মূল্যায়নগুলো উপেক্ষা করছেন। সেই উপেক্ষা করার ফলে অনুমিত পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছে।
ইরাক যুদ্ধ নিয়ে গোয়েন্দা ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়। উদ্দেশ্য ছিল, এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো। বহু দিক থেকে সেই সংস্কারগুলো কার্যকর হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের মতো ব্যক্তি সিদ্ধান্তগ্রহণকারী হিসেবে আসবে, সেই হিসাব হয়ত যুক্তরাষ্ট্র করেনি।
হোয়াইট হাউজের কেউ কেউ অবশ্য ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন, যেমনটা দুই দশক আগে বুশ প্রশাসনেও হয়েছিল।
অনেকেই বলছেন, ট্রাম্প যদি গোয়েন্দা তথ্য ঠিকঠাক তুলে ধরতেন, তবে তা ইরানে যুদ্ধ বাধানোর বিপক্ষেই যেত; কিংবা যুদ্ধ শুরুর আগে অন্তত সব ধরনের কূটনৈতিক চেষ্টা চালানোর কথা বলা হতো।
সম্ভবত এ কারণেই প্রেসিডেন্ট তার উপদেষ্টাদের কথা উপেক্ষা করেছেন; কোথাও কোথাও ভুলভাবেও উপস্থাপন করেছেন।
ইরানে হামলা শুরুর দুদিন পর গত ২ মার্চ হোয়াইট হাউজের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “ইউরোপ ও দেশ-বিদেশে থাকা আমাদের ঘাঁটিগুলোতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম। এছাড়া শিগগিরই তারা এমন ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক হবে, যেটা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেও আঘাত হানতে পারবে।”
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির’ উপসংহারে বলা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে ইরানের ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। আর এটি কেবল তখনই সম্ভব হবে, যদি তারা এটা তৈরির ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়।
কয়েক সপ্তাহ পর ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে বলেন, “ইরানের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে, যা ব্যবহার করে তারা ২০৩৫ সালের আগেই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি শুরু করতে পারবে।“
ট্রাম্প অনুগত এ উপদেষ্টা অবশ্য এটা বলেননি যে, ইরান ইতোমধ্যে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বানানো শুরু করে দিয়েছে।
কিন্তু ট্রাম্প জোর দিয়ে বলে আসছেন, এই হুমকি খুব বেশি দূরের বিষয় নয়। গত ১৬ মার্চ ওভাল অফিসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ইরান মধ্যপ্রাচ্য দখল করে নিত; তারা পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত।”
বাস্তবতা হল- ইরানের হাতে যে ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা আরও সমৃদ্ধ করা হলে একসময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
কিন্তু গত বছরের জুনে মার্কিন বিমান হামলায় পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ইরান আর নতুন করে সেই চেষ্টায় যায়নি। এ তথ্য গ্যাবার্ডও কংগ্রেসে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর প্রবেশপথ মাটি দিয়ে ঢেকে সিমেন্টের মাধ্যমে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
ট্রাম্প শুধু গোয়েন্দা তথ্যই ভুলভাবে উপস্থাপন করেননি, তিনি ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালানোকে তিনি অপ্রত্যাশিত বলেছেন।
তবে ট্রাম্পকে তার উপদেষ্টারা এসব আশঙ্কার কথা আগেই বলেছিলেন। তারা জানতেন, এই নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতি বেকায়দায় পড়ে যাবে।
এই অনুমান এতটাই সহজ যে, পেন্টাগন তাদের যুদ্ধ পরিকল্পনাতে আগেই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে লিখেছে, ট্রাম্পের সামরিক উপদেষ্টারা যখন তাকে এই আশঙ্কার কথা শোনান, তিনি গুরুত্ব দেননি।
ট্রাম্প হয়ত ভেবেছিলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার আগেই ইরান নতি স্বীকার করবে; আর অন্য কিছু ঘটলে তার সামরিক বাহিনী সামলে নেবে।
হরমুজ বন্ধ হওয়ার পর সেটি খুলে দিতে ইরানকে বোমা মারার হুমকি দেন ট্রাম্প। তাতে কাজ না হওয়ায় এখন তিনি বলছেন, নৌপথটি খুলে দেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের একার নয়।
গত বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় কোনো তেলই আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আমাদের এটি প্রয়োজন নেই।”
তার এ বক্তব্যের পরেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরো বেড়ে যায়।
ট্রাম্প সেদিন একথাও বলেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার কিংবা অন্যান্য মার্কিন মিত্রকে লক্ষ্য করে ইরান যে হামলা চালাতে পারে, সে আভাস কেউ তাকে দেননি।
হোয়াইট হাউজের অনুষ্ঠানে গত ১৬ মার্চ তিনি বলেন, “তাদের তো মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশের পেছনে লাগার কথা ছিল না। কেউ এটা আশা করেনি; আমরা হতবাক হয়েছি।”
কিন্তু হামলার শিকার হওয়া দেশগুলো অবাক হয়নি। ২০২৫ সালে মার্কিন গোয়েন্দারা প্রকাশ্যে বলেছিল, “ইরানের সামরিক বাহিনী প্রতিপক্ষের ব্যাপক ক্ষতি করার সামর্থ্য রাখে। তারা জ্বালানি সরবরাহসহ জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে সক্ষম, বিশেষত হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে।”
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও শেষমেশ স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, ইরানের আঞ্চলিক পাল্টা আঘাত একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল না।
গত ১০ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “তারা এভাবে জবাব দেবে, সেই ধারণা আমাদের ছিল না। কিন্তু আঘাত আসার একটা আশঙ্কা ছিল।”
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলেটিকোর খবর অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে দুটি আরব দেশের কর্মকর্তারা ট্রাম্প ও তার শীর্ষ সহকারীদের কাছে ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কার কথা বলেছিলেন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া; এর ফলে তেলের বাজার অস্থিতিশীল হওয়া এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকটের কথাও তুলে ধরেছিলেন তারা।
গত মাসে তুলসি গ্যাবার্ড যখন সেনেটের গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটির মুখোমুখি হন, তখন সেনেটররা ক্ষোভ জানান।
সেনেটর অ্যাঙ্গাস কিং তাকে প্রশ্ন করেন, “ইরান নিয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের মধ্যে যে ফারাক, সে বিষয়টি কি আপনি তাকে বলেছিলেন?”
গ্যাবার্ড হ্যাঁ-না উত্তর এড়িয়ে বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে ইরানের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে তথ্য সরবরাহ করেছে।
সেখানে সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি কয়েক ডজন ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার পরিকল্পনা ইরানের ছিল।
গ্যাবার্ড তখন সুর মিলিয়ে বলেন, “গোয়েন্দাদের দীর্ঘদিনের মূল্যায়ন ছিল যে, ইরান সম্ভবত হরমুজ প্রণালিকে চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে।”
প্রেসিডেন্টের যুদ্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সম্প্রতি চাকরি ছাড়েন গ্যাবার্ডের শীর্ষ উপ-সহকারী জো কেন্ট।
পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, “যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এ মুহূর্তে ইরান কোনো হুমকি ছিল না।”
কেন্টকে ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের প্রধান হিসেবে ট্রাম্পই মনোনয়ন দিয়েছিলেন। ফলে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের মধ্যে থাকা এমন কর্মকর্তার বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
তবে র্যাটক্লিফ সেনেট কমিটির সামনে বলেন, তিনি কেন্টের সঙ্গে একমত নন, কারণ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির আকাঙ্ক্ষা ইরান ত্যাগ করেনি।
কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, আকাঙ্ক্ষা থাকা আর বাস্তবে সেটি বানিয়ে ফেলার কাছাকাছি থাকা এক কথা নয়।
জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট সেনেটর জন ওসফ যুদ্ধ শুরুর পরের দিন হোয়াইট হাউজের দেওয়া এক বিবৃতি পড়ে শোনান।
ওই বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, “এটি ইরানি শাসনব্যবস্থার সৃষ্ট আশু পারমাণবিক হুমকি নির্মূল করার সামরিক অভিযান।”
ওই সেনেটর গ্যাবার্ডকে জিজ্ঞাসা করেন, “গোয়েন্দারা কি এটাকে আশু হুমকি বলেছিল?”
জবাবে গ্যাবার্ড বলেন, “কোনটি আশু হুমকি এবং কোনটি নয়, তা নির্ধারণ করতে পারেন একমাত্র প্রেসিডেন্ট। এটি গোয়েন্দাদের কাজ নয়।” যদিও বাস্তবতা হলো, এটা নির্ধারণ করা গোয়েন্দাদেরই কাজ।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রেসিডেন্টই গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছেন, কেউ কেউ শোনার প্রয়োজনও মনে করেননি। কিন্তু গোয়েন্দাদের সঙ্গে ট্রাম্পের মতো এতটা দূরত্ব আর কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না।
প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকার সময় তিনি ইরাকের গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে ভুল মূল্যায়নের জন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন।
ট্রাম্প বহুদিন ধরেই বলে আসছেন, তিনি নিজের অন্তর্দৃষ্টিকে ভরসা করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে কিনা, তা তখনই বুঝব, যখন আমি তা অনুভব করব, হাড়ে হাড়ে অনুভব করব।”
যুক্তরাষ্ট্রে গোয়েন্দা বাহিনীর যে কাঠামো, তাতে আবেগতাড়িত ও ব্যক্তিগত মতামতের ওপর পরিচালিত কোনো প্রেসিডেন্টকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
তারা কেবল তথ্য সরবরাহ করতে পারে। প্রেসিডেন্ট যদি সেসব তথ্য উপেক্ষা করেন বা বিকৃত করেন, সেই ব্যর্থতার দায় একান্তই তার।




