ইউনূস নিজ হাতে উপদেষ্টার তালিকায় সংশোধন এনেছেন : রাষ্ট্রপতি
ড. ইউনূস নিজ হাতে তালিকায় সংশোধন এনেছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। বিশেষ করে এনজিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে তিনি নিজেই নাম যুক্ত করেছেন বলেও জানান তিনি।
গত শুক্রবার একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করার বিষয়ে ছাত্রনেতারা ছিলেন একেবারেই অনড়। ছাত্রদের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল। তবে সে সময় তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। সেখানে হাসপাতালে অস্ত্রোপচার চলার কারণে তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না।
তিনি জানান, ড. ইউনূসের দেশে ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়াও পিছিয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থায় আলোচনায় আসে, অস্থায়ীভাবে অন্য কাউকে প্রধান উপদেষ্টা করা যায় কি না। তবে এমন প্রস্তাবে ছাত্রনেতারা আপত্তি জানান এবং স্পষ্টভাবে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা পদে ড. ইউনূস ছাড়া অন্য কোনো নাম তারা মানবেন না।
তিনি জানান, ছাত্রনেতাদের এই অবস্থানের প্রতি রাজনৈতিক নেতারাও সমর্থন দেন। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, ছাত্রদের দাবিকেই সম্মান জানানো হবে এবং তারা যাকে চাইছে, তাকেই প্রধান উপদেষ্টা করা হবে।
ছাত্রনেতাদের অবস্থান নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জানান, তবে ছাত্রনেতারা ড. ইউনূসের ব্যাপারে তাদের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেননি। তারা অপেক্ষা করার পক্ষেই ছিলেন।
তিনি জানান, ড. ইউনূসের দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। তিনি ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের লাউঞ্জে স্বশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি জানান, আগে থেকেই বঙ্গভবনে তিন বাহিনী প্রধান ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত ছিল। সেখান থেকে ড. ইউনূস কিছু নাম বাদ দেন এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী কয়েকজনের নাম যুক্ত করেন। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।





