দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে নোয়াখালীকে হারাল রংপুর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস ১৭৩ রান করেও রংপুর রাইডার্সকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি। হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরিতে এই সংগ্রহ পাওয়া নোয়াখালী হেরেছে তাওহীদ হৃদয়ের কাছে। হৃদয় সেঞ্চুরির বদলে সেঞ্চুরি করেছেন। ইসাখিল অপরাজিত ১০৭ রান করেছিলেন ৭২ বলে, হৃদয় ১০৯ রান করলেন ৬৩ বলে।
নোয়াখালীকে রংপুর হারিয়েছে ৮ উইকেটে। এই জয়ের ফলে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বরে উঠলো তারা। সুযোগ ছিল দুইয়ে উঠে প্রথম কোয়ালিফায়ারের মঞ্চ তৈরি করে রাখার, সে জন্য জিততে হত বড় ব্যবধানে। ১২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পেছনে ফেলতে প্রয়োজন ছিল কেবল রানরেটে এগিয়ে যাওয়া।
মিরপুরে রান তাড়ায় দাওভিদ মালান ধীরে খেললেও হৃদয় পুষিয়ে দেন। চতুর্থ ওভার থেকে হাত খুলে খেলতে শুরু করেন তিনি। মুশফিক হাসানের ওই ওভারে রান উঠে ১৬। ২টি চার ও একটি ছয় হাঁকান রংপুর রাইডার্স ওপেনার। তিনি হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ২৭ বলে।
মালান নবম ওভারে ১৭ বলে ১৫ রান করে আউট হলে হৃদয়কে সঙ্গ দেন লিটন কুমার দাস। হৃদয় ৫৭ বলে ১৪ চার ও ২ ছয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। জয় থেকে ৯ রান দূরে থাকতে আউট হওয়া রংপুর ওপেনার ৬৩ বলের ইনিংসটি সাজান ১৫টি চার ও ২টি ছয়ের মারে।
এই ইনিংস দিয়ে বিপিএলের এই আসরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হলেন হৃদয়। ১০ ইনিংসে ১৩৯.৪৮ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৩৭৮ রান। পেছনে ফেলেছেন মালান, পারভেজ হোসেন ইমন ও নাজমুল হোসেন শান্তকে। শান্ত ও ইমন দুজনই ৩২৯ রান নিয়ে রানসংগ্রাহকের তালিকার দুইয়ে। আজকের ১৫ দিয়ে মালানের রান হলো ২৯৬।
হৃদয়ের ইনিংসটিকে যদি ইসাখিলের বিপরীতে ধরা হয়, তবে হায়দার আলীর ৪২ রানের বিপরীতে খেলেছেন লিটন কুমার দাস। হৃদয়ের সঙ্গে ৮৭ রানের জুটি গড়া রংপুর অধিনায়ক ৩৫ বলে ৩৯ রানে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। তার ধীর গতির ইনিংসে ছিল ২টি চার ও একটি ছয়ের মার।




