চুয়েটে সায়েমকে পুনর্বহালে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) আগের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
শনিবার দুপুরে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান। বেলা আড়াইটায় শহীদ মিনার থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে আবার শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’ এবং ‘এক দফা, এক দাবি সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’—এমন সব স্লোগান দেন। মিছিলে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে লেখা ব্যানার দেখা যায়।
মিছিল শেষে তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, “প্রশাসনের নীরবতায় আমরা ক্ষুব্ধ। আন্দোলনের কারণে আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা সব বন্ধ রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তিনি যেন দ্রুত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেন। আমরা ক্লাসে ফিরতে চাই।”
২২ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ
আন্দোলনের কারণে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।
গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আন্দোলনের মধ্যেই ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে অনলাইনে উপাচার্য পদে যোগ দেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনি চুয়েট ক্যাম্পাসে যাননি।




