‘আত্মগোপনে’ থাকা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে সপরিবারে উদ্ধার হওয়া চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো বলে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ জানান।
তিনি বলেন, সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারণার মামলা হয়।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে করা প্রতারণার মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া বা প্রতারণার শিকার হয়েছেন- এমন আরও কেউ আছেন কি-না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সংখ্যা ও আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে কি-না, তদন্ত শেষে তা স্পষ্ট হবে।
১৯ অগাস্ট থেকে হঠাৎ পিন্টুর মোবাইল ফোন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। একইসঙ্গে পিন্টুর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যের সঙ্গেও স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করে।
শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসসহ পরিবারের সদস্যকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।




