নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকালে সচিবালয়ে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী কমিটি গঠন করেন বলে তার উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা জানিয়েছেন।
তিন সদস্যের এ কমিটি খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান চালানো প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যাও চিহ্নিত করবে।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে কমিটিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিও রয়েছেন।
উপপ্রেস সচিব বলেন, “কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।”
বৈঠকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা শুনে বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না।
“পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরো দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।”
নিজেদের মধ্যে জনসচেতনতার ঘাটতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না।
“দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।




