পাবনায় পদ্মা নদী থেকে কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
পাবনার সদর উপজেলার পদ্মা নদী থেকে এক কিশোরীর হাত-বাঁধা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর পীরপুর-সংলগ্ন নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
নিহতের বয়স ১৪ থেকে ১৬ বছর বলে ধারণা পুলিশের। তবে তাৎক্ষনিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজ করতে যাওয়ার সময় নদীর তীরে আটকে থাকা নৌকার পাশে প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখেন। সন্দেহ হলে এক কৃষক কাঁচি দিয়ে বস্তার মুখ কেটে ভেতরে এক কিশোরীর লাশ দেখতে পান।
নিহতের হাত বাঁধা এবং গলায় বাজারের ব্যাগ জড়ানো ছিল। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চারজন মধ্যবয়সী ব্যক্তিকে নিয়ে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। নদীতীরবর্তী এলাকা থেকে বলরামপুরের দিকে যাওয়ার সময় গাড়িটি হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সেটি ধাক্কা দিয়ে বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত নেওয়া হয়।
মেয়েটিকে অন্য কোথাও ধর্ষণের পর হত্যা করে প্রাইভেটকারে করে লাশ মাঝরাতে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
বলরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে গাড়িটি এবং এর ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয় এবং লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয় বলে ওসি তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “এখনো ওই কিশোরীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজসহ সব ধরনের ক্লু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”





