সংসদে ৭ বিল পাস, ৩ টিতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ৭টি বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এর মধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশসহ একাধিক নির্বাচনসংক্রান্ত সংশোধনী বিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সোমবার (০৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।
পাশ হওয়া ৭টি বিল
১. গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ বিল পাস।
২. নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সংশোধন বিল-২০২৬ পাস।
৩. ভোটার তালিকা সংশোধন বিল ২০২৬ পাস।
৪. নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান সংশোধন বিল ২০২৬ পাস।
৫. নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ সংশোধন বিল ২০২৬ পাস।
৬. জাতীয় সংসদ সচিবালয় অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান রহিতকরণ বিল ২০২৬ পাস।
৭. বাংলাদেশ ল অফিসার্স আমেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬ পাস।
এছাড়া সংসদে আরও তিনটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রহিতকরণ বিল, সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল এবং ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল-২০২৬।
উত্থাপিত এই তিনটি বিলে বিরোধী দল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেছে। ফলে এসব বিলের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী অধিবেশনে অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, বিরোধী দলের মতামত ও বিশ্লেষণের সুযোগ দেওয়ার জন্যই এসব বিল উত্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী অধিবেশনে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এদিকে ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল-২০২৬ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের সুপারিশ করে রিপোর্ট দেয়। সেই তালিকার অংশ হিসেবেই প্রথম দফায় ১০টি বিল উত্থাপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে বাকি অধ্যাদেশগুলোকেও আইনে পরিণত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।




