তেঁতুলিয়ায় পুলিশের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে পালালেন আসামি
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গ্রেপ্তার অভিযানের সময় এক পুলিশ সদস্যের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে গেছেন আসামি রাসেল ইসলাম (৩৩)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় অভিযুক্ত রাসেল ইসলামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যের নাম বনমালী রায় (৩০)। তিনি তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তিনি তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। পলাতক রাসেল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের শরিফ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির দুটি গরু চুরি হয়। পরে গরুর মালিক তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় রাসেল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে গতকাল বিকেলে রাসেলের বাড়ি ঘেরাও করে পুলিশের একটি দল। রাসেল বাড়িতে লুকিয়ে আছেন—এমন তথ্য পেয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্যের একটি দল তাঁর বাড়ির চারপাশে অবস্থান নেয়। বাড়িটিতে একাধিক দরজা ছিল। এ সময় রাসেলের দুই স্ত্রী পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বাড়ির একটি দরজার পাশে দাঁড়ানো পুলিশ সদস্য বনমালী রায়ের মাথায় একটি লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রাসেল পালিয়ে যান। ওই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, রাসেল তালিকাভুক্ত গরু চোর। তাঁর বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা আছে। রাসেলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তাঁর বাড়ি ঘেরাও করলে তিনি লোহার রড দিয়ে পুলিশ সদস্য বনমালীকে আঘাত করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় বনমালীর মাথা ফেটে গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় রাসেলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। সেই সঙ্গে তাঁকে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে।





