৯টি আসনে থাকছে না ধানের শীষ
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৯টি আসনের ব্যালটে থাকছে না বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ। এরমধ্যে আটটি আসন মিত্রদের ছেড়ে দিয়েছে দলটি। বাকি একটি আসনের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন আদালত।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯টি আসনের ব্যালটে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ থাকছে না। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দীর্ঘদিনের মিত্র দলগুলোকে আটটি আসন ছেড়ে দিয়েছে দলটি। আর ঋণ খেলাপের দায়ে একটি আসনের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন আদালত। তাই এসব আসনে ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীক থাকবে না।
বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, তারা মিত্র পাঁচটি দলকে আসন ছেড়েছে। এর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ চারটি আসনে ছাড় দিয়েছে। এছাড়া একটি করে আসন ছেড়েছে গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি ও গণ অধিকার পরিষদকে। এসব দলের প্রার্থীরা নিজ দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
পাশাপাশি ঋণ খেলাপের দায়ে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন আদালত। ফলে বিএনপির কোনো প্রার্থী এই আসনে থাকছে না। অর্থাৎ ধানের শীষও থাকছে না।
জোট শরিকদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ খেজুরগাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে। এর মধ্যে সিলেট-৫ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে দলের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচন করছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমী।
শরিকদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি নির্বাচন করছেন। তার প্রতীক মাথাল। ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক (কোদাল), পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ট্রাক), ভোলা–১ আসনে বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ (গরুর গাড়ি) নির্বাচন করছেন। ফলে এসব আসনের ব্যালটেও ধানের শীষ প্রতীক থাকবে না।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেদিন একযোগে ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।




