এবার চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে যা জানালেন রুবিও
প্রথমবারের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের চীন সফরের দিনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের ঘোষণা দিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র সেন্ট কিটস ও নেভিস সফরকালে সাংবাদিকদের চীন সফরের বিষয়টি উল্লেখ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরের আগে দুই দেশের দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্কের মাঝে ‘কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ বজায় আছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
মার্কো রুবিও জানান, উভয় দেশই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, একটি সর্বাত্মক বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ ওয়াশিংটন ও বেইজিং— উভয় পক্ষের জন্যই চরম ক্ষতিকর হবে।
দীর্ঘদিন ধরে চীনের প্রতি কঠোর মনোভাব পোষণকারী হিসেবে পরিচিত রুবিও বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি জানান, সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও সাপ্লাই চেইনে চীনের আধিপত্য কমানো এবং মানবাধিকারের মতো উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কথা বলা চালিয়ে যাবে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পাশাপাশি চীনকে নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় পারমাণবিক চুক্তি সম্পাদনের জন্য বেইজিংয়ের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি। যদিও চীন এখন পর্যন্ত এই ধরনের আলোচনায় বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩১ মার্চ প্রথমবার চীন সফরে যাচ্ছেন। দেশটিতে থাকবেন ২ এপ্রিল পর্যন্ত। ২০১০ সালে হংকং ও উইঘুর মুসলিমদের মানবাধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ায় চীন মার্কো রুবিওর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, যা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি জটিল দিক। তবে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুই পরাশক্তি আপাতত বড় ধরনের সংঘাত এড়িয়ে চলাই শ্রেয় মনে করছে- এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া যায় রুবিওর বক্তব্যে।




