মুছাব্বির হত্যার বিচার দাবিতে ফার্মগেট ও কারওয়ানবাজারে বিক্ষোভ
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন তার অনুসারীরা।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় তারা বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভকারীরা পশ্চিম তেঁজতুরি বাজার (বসুন্ধরা সিটির পেছনে) এলাকা থেকে মিছিল শুরু করেন। এরপর ফার্মগেট ঘুরে কারওয়ান বাজারে এসে মিছিল শেষ করেন।
বুধবার রাত ৮টার কিছু পরে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে হোটেল সুপারস্টারের পাশে আহসানউল্লাহ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের গলিতে বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তেজগাঁও থানার ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন। বৃহস্পতিবার কারওয়ানবাজার ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে মুছাব্বির ‘জীবননাশের হুমকি পাচ্ছিলেন’ বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।
মুছাব্বির হত্যার ঘটনার পেছনে কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের উপর হামলার ঘটনার যোগসূত্র খুঁজছে পুলিশ।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করলে সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
হত্যা মামলার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবসায়ীদের উপর হামলার অভিযোগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের এলাকায় আধিপত্য কমে গেলে মুছাব্বির সেই জায়গা ‘নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে’ বলে অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ উত্তেজনা চলছিল।
এছাড়াও ফার্মগেট এলাকায় একটি গ্যারেজ দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা চলে আসছে। এই গ্যারেজ দখলের ঘটনায় মুছাব্বিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে পুলিশ।
এসব কারণেই মুছাব্বিরের স্ত্রীর অভিযোগের মিল আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন।
তবে এর পাশাপাশি হত্যার পেছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখার কথা বলছেন তদন্তে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।





