মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা তুরস্কের
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, ইসরায়েল ইরানে হামলার জন্য একটি সুযোগ খুঁজছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার তুর্কি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, আমি আশা করি তারা ভিন্ন কোনো পথ বেছে নেবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো বিশেষ করে ইসরায়েল ইরানে আঘাত হানার সুযোগ খুঁজছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য জানতে চাইলে ফিদান বলেন, ইসরায়েলই মূলত এমন সুযোগের সন্ধানে রয়েছে। সাম্প্রতিক ইরান সফরে সরাসরি তেহরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি। ফিদান বলেন, আমি সম্প্রতি তেহরানে গিয়ে একজন বন্ধুর মতো পুরো পরিস্থিতি তাদের জানিয়েছি। আর বন্ধু কখনো কখনো তিক্ত সত্যও বলে।
এর আগে বৃহস্পতিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় এরদোয়ান ইরানে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেন এবং প্রতিবেশী দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া এক বক্তব্যে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, শত্রুদের পক্ষ থেকে ইরানে কোনো হামলা হলে তেহরান তা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে। এটি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান কথার লড়াইকে আরও তীব্র করেছে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানকে লক্ষ্য করে উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি ‘নৌবহর’ পাঠিয়েছেন। আগের সপ্তাহে তুলনামূলক শান্ত মন্তব্য করার পর আবারও তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, আমরা জবাব দেব। তিনি আরও বলেন, এই সামরিক সমাবেশ যদি প্রকৃত সংঘাতের উদ্দেশ্যে না-ও হয়, আমাদের সেনাবাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। তাই পুরো দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।




