বগুড়ায় শিবগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে পুনরায় মেয়র নির্বচিত হয়েছেন তৌহিদুর রহমান মানিক। তিনি নারিকেল গাছ প্রতীকে ৮ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রিজ্জাকুল রহমান রাজু হ্যাঙ্গার প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১০টি। অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে মোবাইল ফোন প্রতীকে আব্দুল খালেক ২১০ ভোট এবং হামদান মণ্ডল জগ প্রতীকে ১৭২ ভোট পেয়েছেন।
শনিবার বিকেল ৫টায় এ তথ্য জানান বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান।
২০১৫ সালে তৌহিদর রহমান মানিক সরকার দলীয় নৌকা প্রতীক পেয়ে প্রথমবারের মত শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। পরে ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি আবারও শিবগঞ্জ পৌর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি। এরপর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় ২৮ নভেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে মানিক পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। তবে মানিক মনোনয়ন পেলেও আওয়ামী লীগ জাপাকে আসন ছেড়ে দেয়ায় তিনি আবারও পৌরসভার উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করেন। সকাল ৮টায় ১১টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীন বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। ভোটে পুরুষ-নারী উভয় ভোটারদের উপস্থিতি ব্যাপক ছিল। শুধুমাত্র বেলা সাড়ে ১২টায় ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নাটমরিচাই ভুরঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৪ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন নষ্ট হওয়ায় একটি বুথে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ওই বুথের ভোটাররা। অনেকে বিরক্ত হয়ে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ছাড়েন। পরে দেড়টায় আবারও ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
এছাড়াও ৬নম্বর ওয়ার্ডের শব্দলদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে দুপুর ২টায় দুর্বৃত্তরা দুটি মটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এছাড়া আর কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বগুড়া জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মাহমুদ হাসান বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ১১টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়। ১৯ হাজার ৪৭৩জন ভোটারের মধ্যে ১২ হাজার ৯২৩জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোট কাস্টিং হয়েছে ৬৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ।





