৫ বছরে লাখপতি থেকে কোটিপতি প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ
মেহেরপুর-১ (সদর, মুজিবনগর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের গত ৫ বছরে আয় ও সম্পদ দুই বেড়েছে কয়েকগুন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হলফনামায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেওয়া হলফনামা তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে কৃষি থেকে ৪ লাখ টাকা থেকে আয় বেড়ে হয়েছে ২৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২০১ টাকা। এছাড়া পারিশ্রমিক, ভাতা, সম্মানী হিসেবে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৫ টাকা আয় করেন। নগদ রয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৬ টাকা।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় তার ব্যাংকে ছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমানে তার ব্যাংকে আছে ২৯ লাখ ১ হাজার ৯১৫ টাকা এবং পোস্টাল সেভিংসে রয়েছে ৪০ লাখ টাকা, যার অর্ধেক তার স্ত্রীর নামে। তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করছেন তার দাম ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে একটি মাইক্রোবাস রয়েছে, যার দাম ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
তার স্ত্রী মোনালিসার নগদ টাকা রয়েছে ৪৭ লাখ, ব্যাংকে জমা আছে দেড় লাখ, সঞ্চয় পত্র কেনা আছে ২০ লাখ, ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে ৪০ লাখ টাকা। ফরহাদ হোসেনের নিজের ২৫ ভরি ও স্ত্রীর ১৩০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। যার প্রতিভরি স্বর্ণের মুল্যে দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৮শত টাকা। কৃষিজমি রয়েছে ২৭৪ শতক। রাজধানীর উত্তরায় ১ হাজার ৬০০ স্কয়ার ফুটের একটি ফ্ল্যাট তার নামে রয়েছে, তবে তা বুঝে পাননি। এ ছাড়া একটি দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে তার। এ ছাড়া নিজের বৈধ একটি পিস্তল ও একটি শটগানের কথা হলফনামায় আছে।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সংসদ সদস্য প্রার্থীর বন্ধকবিহীন ব্যক্তিগত ঋণ আছে ৫৮ লাখ টাকা।
ফরহাদ হোসেন দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার আগে তিনি ঢাকার একটি প্রাইভেট কলেজে শিক্ষকতা করতেন। গত ৫ বছরে প্রতিমন্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে কয়েকগুন।





