অবরুদ্ধ গাজার উপত্যকায় অব্যাহত বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনীর হামলা থেকে রক্ষা পায়নি গাজার স্কুল বা বেসামরিক স্থাপনাও। এমনকি তাণ্ডব চালানো হয়েছে গাজার বৃহত্তম হাসপাতাল আল-শিফা হাসপাতালেও। এ ছাড়া রোগীদের সরিয়ে নিতে গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালকে চার ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। গাজার এমন সব কর্মকাণ্ড তুলে ধরায় হুমকির মুখোমুখি হয়েছে ইসরায়েলের পত্রিকা হারেৎজ।
শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে হুমকির মুখোমুখি হয়েছে ইসরায়েলের পত্রিকা হারেৎজ। দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী শ্লোমো কারহি পত্রিকাটিকে শাস্তির দাবি জানান।
যোগাযোগমন্ত্রী কারহি অভিযোগ করেন, হাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযানের সমালোচনা করে সংবাদ প্রচার করছে হারেৎজ। এ জন্য তিনি এটিকে শাস্তির আওতায় আনার প্রস্তাব করেন।
সামাজিক যোগযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কারহি অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমটি ইসরায়েলে যুদ্ধকালীন সময়ে নাশকতা করছে। এটি এখন ইসরায়েলের শত্রুদের মুখপাত্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ তোলা এ ব্যক্তি কারহি নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির সদস্য।
তিনি পত্রিকাটিকে শাস্তির মধ্যে সরকারি বিজ্ঞাপন থেকে নিষিদ্ধ করা এবং এ পত্রিকাকে বিজ্ঞাপন দেয় এমন কোনো রাষ্ট্রীয় সংস্থা থেকে হারেৎজকে অর্থ প্রদানও বন্ধ করার দাবি জানান। এ ছাড়া তিনি পত্রিকাটির সরকারি সাবস্ক্রিপশনও বাতিল করার দাবি জানান।
সরকারের পক্ষ থেকে এমন হুমকির পর এক বিবৃতিতে হারেৎজের প্রকাশক অ্যামস শোকেন বলেন, যদি সরকার হারেৎজকে বন্ধ করতে চায়, তাহলে হারেৎজ পড়ার এখনই সময়।





